নামাজে আমরা কি পড়ি? । সানা । modernislam

1143
নামাজে আমরা কি পড়ি

৩য় পর্বসানা

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে সলাতের জন্য দন্ডায়মান হলে তাকবীরে তাহরীমা বলার পর এই দু‘আ পড়তেনঃ ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গায়রুকা।’’

অতঃপর তিনবার ‘‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’’ ও তিনবার ‘‘আল্লা­হু আকবার কাবীরান’’ বলার পর ‘‘আ‘উযু বিল্লাহিস সামি‘ইল-‘আলীমি মিনাশ-শয়তানির রজীম মিন হামযিহি ওয়া নাফখিহি ওয়া নাফসিহি’’ বলতেন। তারপর কিরাত পাঠ করতেন।

[1] সহীহ, [1] তিরমিযী (অধ্যায়ঃ সালাত, অনুঃ সালাত শুরুর সময় যা বলবে, হাঃ ২৪২,

ইমাম তিরমিযী বলেন, এ অনুচ্ছেদে আবূ সাঈদের হাদীসটি অধিক সহীহ), ইবনু মাজাহ (অধ্যায়ঃ সালাত ক্বায়িম, অনুঃ সালাতে আশ্রয় প্রার্থনা করা, হাঃ) ইবনু জুবাইর বিন মুত্ব‘য়িম সূত্রে তার পিতা থেকে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

FAQs About Salat – নামাজর দোয়া সংক্রান্ত প্রশ্ন

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে সলাতের জন্য দন্ডায়মান হলে তাকবীরে তাহরীমা বলার পর এই দু‘আ পড়তেনঃ ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গায়রুকা।’’

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাআতের মধ্যে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকতেন।

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার মাতাপিতা আপনার উপর কুরবান হোক, তাক্বীর ও কিরাআত এর মধ্যে চুপ থাকার সময় আপনি কী পাঠ করে থাকেন?

নামাজে আমরা কি পড়ি

তিনি বললেনঃ এ সময় আমি বলি-
আল্লা-হুম্মা বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা বা-আদতা বাইনাল মাশরিক্কি ওয়াল মাগরিব। আল্লা-হুম্মা নাক্কিনী মিন খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা ইয়ুনাক্কা ছাওবুল আবইয়াদু মিনাদ দানাসি। আল্লা-হুম্মাগসিলনী মিন খাত্বা-ইয়া-ইয়া বিল্মায়ে স্সালজি ওয়াল মা-ই ওয়াল বারাদ

‘‘হে আল্লাহ! আমার এবং আমার গুনাহের মধ্যে এমন ব্যবধান করে দাও যেমন ব্যবধান করেছ পূর্ব এবং পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ আমাকে আমার গুনাহ হতে এমনভাবে পবিত্র কর যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়।

হে আল্লাহ আমার গোনাহকে বরফ, পানি ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও।’’

(মুসলিম ৫/২৭, হাঃ ৫৯৮, আহমাদ ৭১৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭০৮)
.
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih