লাইলাতুল কদর কি? | How to spend laylatul Qadar | Modern Islam

লাইলাতুল কদর কি? | How to spend laylatul Qadar | Modern Islam

আবার ও লাইলাতুল চলে এসেছে আমাদের মাঝে, ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ এর মধ্যে যে কোন একটি রাতে হবে পবিত্র লাইলাতুল কদর যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম একটি রাত্রি। আমাদের দেশে শুধু মাত্র ২৭ রোজার রাত্রি তে লোকজন জেগে থাকে, ইবাদাত করে। আপনি ২৭ রোজায় জেগে থাকুন কোন সমস্যা নেই। কিন্তু আমাদের প্রিয় নবী রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, লাইলাতুল কদর এই ৫ টি রাতের ভিতর ঘুরতে থাকে। কখনো ২১, কখনও ২৩, কখনো ২৫, কখনো ২৭, কখনো ২৯। তাই আপনি এই ৫ টি রাত জেগে থাকেন আল্লার কাছে ইবাদাত করেন ইনশা আল্লাহ্‌ আপনি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাবেন। আর এই পবিত্র লাইলাতুল কদরের ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে আমাদের নবিজী চমৎকার ভাবে বর্ণনা করেছেন, বনি ইস্রাইল গোত্রের ভিতরে ৪ জন লোক ৮০ বছর আল্লার ইবাদাত করেছেন। তখন সাহাবীরা বলতে লাগলেন ইয়া রাসুলাল্লাহ আমরা তো ৮০ বছর বেঁচে থাকার দিবস পাব কি না তাই তো জানিনা। তো আমরা উনাদের সমতুল্য কিভাবে হব? উনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে ও  এই ভরা মজলিসের ভিতরেই জিবরাঈল (আঃ) উপস্থিত হলেন, এবং বললেন ইয়া রাসুলাল্লহ, আপনার উম্মত কে বলে দিন – আল্লাহ্‌ তায়াল বলেছেন, ইন্না আঞ্জাল নাহু ফি লাইলাতিল কদর – ফুল সূরা।

আপনাদের কে একটি রাত দেয়া হচ্ছে, যেখানে পুরুষ নারী সকলেই জেগে আল্লার ইবাদাত করুন। আপনারা ৮০ বছর ইবাদাত এর আমল নামা পেয়ে যাবেন।

How to spend laylatul Qadar  

সুব হানাল্লাহ। ৮০ বছরের সমতুল্য ও বলে নি বরং বলেছেন, এর চাইতেও বেশি।

তাই আমি আশা করব আমি আপনাদের যাদের কাছে আমার এই বানী পোউছাছছে আপনারা এই ৫ টি রাত জেগে আল্লার ইবাদাত করুন। ইন শা আল্লাহ্‌ আপনি ও লাইলাতুল কদর পেয়ে যাবেন। ছোট ছোট রাত, তারাবী নামাজ শেষ করার পর মাত্র ৩ কি ৪ ঘন্টা বাকি থেকে যায় ভোর হতে। কিছু নফল ইবাদাত করুন, কুরআন পরুন, দোয়া করুন, জিকির করুন, আল্লাহ্‌ কাছে মাগফিরাত কামনা করুন, অফুরন্ত রিজিক আল্লাহ্‌ আপনার জন্য রেখে দিয়েছে তা আল্লার কাছ থেকে চেয়ে নিন।

এবং মানুষদের মাফ করে দিন, মাফ করাও অনেক বড় একটি ইবাদাত ও মহৎ গুন। সবাই কে আল্লাহ্‌ তায়াল এতো বড় গুনের অধিকারী করেন না।

এক সাহাবী তাহাজ্জুদে আল্লাহ্‌ কে বলতে লাগলেন, হে আল্লাহ্‌ আমাদের নবীজি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছে, তুমি সদকা কর, যারা বড় বড় লোক আছে তাঁরা তো ঠিকি সদকাহ করছে। হে আল্লাহ্‌ যারা আমার সাথে বেইমানি করেছে তাদের সবাই কে আমি এই রাতে মাফ করে দিলাম। আপনি আমার এই সদকাহ কে কবুল করুন।

ফজরের নামাজের সময় রাসুল (সাঃ) আসছেন, নামাজের পরে এলান করলেন গত রাতে সদকাহ কে কে করেছেন? সবাই চুপ! কেউ কিছুই বলছেনা। তারপর বলল এই মহিমান্বিত রাতে নিজের মান সম্মানের সদকাহ কে করেছেন? ঐ সাহাবি দাঁড়িয়ে গেলেন, এবং বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ আপনি তো বলেছিলেন, সম্পদ, টাকা পয়সা সদকাহ করতে। আমি তো তখন ভেবেছি টা পয়সা সদকাহ করব।  আমার কাছে সম্পদ নেই তাই আমি আমার নিজের মান সম্মান ইজ্জতের সদকাহ দিয়েছি।

তখন রাসুল (সাঃ) বললেন, তোমার আল্লাহ্‌ তোমার সাদকাহ কে কবুল করেছেন এবং তা তোমার আমলনামায় লিপিবদ্ধ হয়ে গিয়েছে।

তাই এই লাইলাতুল কদরে শুধু ইবাদাত নয় বরং মাফ করার মন মানসিকতাও আমরা রাখি।

আমি ইতি পুর্বেও আমাদের রমাদান এপিসোডের একটি এপিসোডে বলেছিলাম যে, ৪ প্রকার লোক কে আল্লাহ্‌ তায়ালা কখনো ক্ষমা করবেন না।

আমরা চাই না সেই ৪ প্রকারের মধ্যে আমাদের মধ্যে এমন কেউ থাকুক। যদি থেকে থাকেন তবে এখনি তাওবা করে আল্লার কাছে মাফ করে নিন। কেননা এখনো তাওবার রাস্তা খোলা আছে। একটি সময় আসবে তখন সূর্য মাঝখানে চলে আসবে, এবং তাওবার রাস্তা বন্ধ্য হয়ে যাবে। তখন মানুষ তাওবার জন্য হাহাহকার করবে। কিন্তু কোন তাওবা তখন কবুল হবেনা।

তাই গুনাহের জন্য এখনি তাওবা করুন।

এই মহিমান্বিত রাতে জিব্রিল (আঃ) নিচে নেমে আসেন সকল ফেরেশতাদের নিয়ে এবং তাঁরা পুরো দুনিয়াতে ছড়িয়ে জান। তখন যেই সমস্ত লোকেরা দয়া করতে থাকে ক্ষমা চাইতে থাকে তাদের সাথে সাথে আমিন বলতে থাকে। এরপর যখন সুভে সাদিক এর সময় আজান হয় তখন সকল ফেরেশতা এক সাথে হয়, এবং জিবরাঈল (আঃ) কে জিজ্ঞেশ করে কি হয়েছে?

আল্লাহ্‌ তায়ালা সবাই কে মাফ করে দিয়েছেন শুধু মাত্র ৪ প্রকার লোক ছাড়া, তাদের কেস পেন্ডিং হয়ে আছে। এরা যতক্ষণ এই কাজ করবে তাদের কোন ভাবেই মাফ করা হবেনা। ফেরেশতারা বলেন সেই হতভাগা লোক গুলো কারা???

তাঁরা হচ্ছেন,

১ যারা মদ পান করে, তাদের মাফ এই পবত্র লাইলাতুল কদরে ও হবেনা।

আল্লাহ্‌ আমাদের ক্ষমা করুক আমাদের ভিতরে এমন কেউ থাকলে এখনি তাওবা করুন। যে সমস্ত খারাপ ইচ্ছা গুলো আমার আপনার মনের ভিতরে আছে, সেগুলো কে আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের জন্য জান্নাতে হালাল করে সাজিয়ে রেখেছেন।

মদ ছেড়ে দাও, তোমার মুখ থেকে বাজে উৎকট গন্ধ্য আসছে। আল্লার কাছে যাও, তিনি বলেছেন, “ওয়াসা কাহুম রাব্বুহুম শারা বান তাহুরা” আল্লাহ্‌ স্বয়ং তোমাকে খাওাবেন। যদি তুমি তা দুনিয়াতে ছেড়ে দাও আল্লাহর জন্য।

২ তাঁরা যারা মা বাবার নাফরমান সন্তান। এরা ও লাইলাতুল কদরে আল্লার নিকট ক্ষমা পাবেনা। আল্লার রাসুল বলেন, এক দিন জিবরাঈল (আঃ) আকাস থেকে অবতরন করেন এবং বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ কেয়ামত কবে আসবে?

রাসুল (সাঃ) বললেন, এই ব্যাপারে আল্লাহ্‌ তায়ালা ভাল জানেন। তোমার কি মনে হয়? একটি আলামাত বলতো, তখন জিবরাঈল (আঃ) বলেন, যখন সন্তান যখন মা বাবার সাথে নাফরমানি করবে তখনি বুঝবেন কেয়ামত অতি সন্নিকটে।

ওমর এবং আলী (রাঃ) বলা হচ্ছে, তোমাদের নিকট ২ জন লোক আসবে, তার নাম হবে আওাইস বিন আমের। উনি দেখতে কালো বর্নের হবে। এবং তার শরীরে ১০০ এর অ বেশি দাগ থাকবে। তিনি যখন আসবে তখন তোমরা ২ জন তাকে দিয়ে দোয়া করাবা আল্লার নিকট, আমি আল্লার কসম করে বলছি হযরত ওমর ও হযরত আলী (রাঃ) এর আওাস এর দোয়ার কোন আবশ্যকতা ছিলনা। এটা শুধু পরবর্তি উম্মতের উপর একটি দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করাই আল্লার উদ্দেশ্য ছিল যে, একজন মা এর স্থান টি কোথায়।

হযরত ওমর আর আলী হতবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইলেন আর ভাবলেন, উনাকে আল্লাহ্‌ এমন কি দিয়েছেন যে রাসুল (সাঃ) তাকে দিয়ে করানোর জন্য বলছেন!

সাহাবীদের কথা না হয় বাদ এই দিলাম কারন যেখানে ওমর আর আলী স্বয়ং উপস্থিত।

তখন রাসুল (সাঃ) বললেন, আওাস তার মা কে এতো বেশি খুশি করেছেন যে, আল্লাহ্‌ তার কোন কিছু কে কখনো খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না। আমরা বলি সুবহানাল্লাহ।

হযরত ওমর (রাঃ) প্রতি বছর হজ্জ এ জান। উনি ১০ বছর খলিফা ছিলেন, ১০ বছর এই উনি হজ্জ করেছিলেন।

তখন উনি বলছেন, আওাস নামে কেউ আছেন? কেউ কোন কথাই বলেনা।

একদিন সকল হাজীদের বলল আপনারা সবাই লাইনে দাঁড়িয়ে জান। এরপর সবাই সারিবদ্ধ ভাবে লাইনে দারিয়ে গেলেন। এরপর আবার বলেন সবাই যেহেতু বিভিন্ন গ্রুপে দাঁড়িয়ে ছিল তাই তিনি এক এক করে প্রতি গ্রুপ এর সবাই কে বসাচ্ছেন আর একজন করে প্রতি গ্রুপে দাড়া করায় রাখলেন। এখন বললেন, তোমাদের মধ্যে সবাই বসে যাও, শুধু যে নেতা সে দাঁড়ায় থাক। আস্তে আস্তে লাইন ছোট হতে লাগল।

প্রতি গ্রুপ এর সবাই বসে জান। এখন এই এতো বড় গ্রুপ এর অর্থাৎ পুরো গ্রুপ এর যে নেতা সে দাঁড়িয়ে থাকেন।

সুধু মাত্র একজন লোক দাঁড়িয়ে রইল। উনাকে জিজ্ঞেশ করল তুমি কি আওাস কে চিনো? বলল, জি চিনি। আম্র ভাই এর ছেল ভাতিজা আমার। বলল যে, উনি তো সর্বদা উদাস থাকে। পরে হযরত ওমর বলল যে, তোমাকে দেখেও তো উদাস মনে হচ্ছে।

উনাকে জিজ্ঞেশ করল আওাস কি আসছে? বলল হ্যা আসছে। কোথায় তিনি? উত্তরে বললেন, উনি তো আরাফাত এর ময়দানে গিয়েছে উট চড়াতে।

সাথে সাথে হযরত ওমর তার বাহনে উঠলেন এবং রওনা হলেন। অখানে গিয়ে দেখেন তিনি একটি ছাউনির নিছে নামাজ পরছে। চারদিকে শুধু উট আর উট। উনি যখন বুঝতে পারলেন যে, ২ জন লোক আসছে তখন উনি নামাজ শেষ করলেন। হযরত ওমর জিজ্ঞেশ করল কে তুমি ভাই? উনি উত্তরে বললেন, আমি তো একজন মাজুর আর কি হব। উনি নিজেও জানেনা যে উনি কে।

উনাকে জিজ্ঞেশ করে তোমার নাম কি? উনি বলেন আমার নাম, আল্লার বান্দা।

হযরত ওমর বললেন, সবাই তো আল্লার বান্দা, কিন্তু তোমার মা তোমার নাম কি রেখেছিল?

উনি বলতে লাগলেন আপনি কে রে ভাই? যে এসে আমার ইন্টারভিউ নিচ্ছেন?

আজব ব্যাপার তো! তখন হযরত আলী (রাঃ) বলল, আওাস,  উনি হচ্ছে, আমীরুল মু’মিনিন ওমর ইনবুল খাত্তাব, আর আমি হচ্চি আলী ইবনে আবি তলেব। তখন এই কথা শুনে উনি থর থর করে কাপ্তে লাগলেন।

তখন উনি বললেন, হুজুর আমাকে মাফ করে দিন আমি আপনাকে চিনতে পারিনি।

হযরত ওমর তুমিতো আওাস তাইনা? উনি বলল, জি হুজুর আমি আওাস।

হযরত ওমর বলল যে, হাত উঠাও আর আমাদের জন্য দোয়া কর, আওাস সাথে কান্না করতে লাগল, আর বলল আমি দোয়া করব!

আমি তো হচ্ছি গোলাম আমি দোয়া করব? হযরত ওমর বলেন হ্যা, আল্লার নবী বলেছিলেন।

চিন্তা করে দেখুন, ওমর আর আলীর জন্য আওাস এর হাত উঠেছে দোয়া করার জন্য। আওাস এর দোয়ার পিছনে কিন্তু কোন জিহাদ নে, তাব্লীগ নেই, কিছুই নেই, শুধু ছিল তার মায়ের সেবা।

এখন ঐ হাদিস টি শুনাচ্ছি জেটা শুরুতে বলতে নিয়েছিলাম, আপনি বলেছিলেন দলে লোকজন জান্নাতে জেতে থাকবে, তখন আল্লাহ্‌ তায়ালা বলবে সবাই যাও আওাস ছাড়া। তখন আওাস পেরেশান হয়ে যাবে। ইয়া আল্লাহ্‌ আমি কি এমন করলাম যে আমাকে থামায় দিল।

আল্লাহ্‌ তায়ালা বলবেন পিছে দেখ, পিছে দেখবেন কোটি কোটি জাহান্নামি দাঁড়িয়ে আছেন। তখন আল্লাহ্‌ তায়াল বলবেন আওাস তোমার একটি নেকি আমাকে অনেক খুশি করে দিয়েছে। আর সেই নেকি টি হচ্ছে মায়ের খেদমত।

তুমি শুধু আঙ্গুল দিয়ে ইশারা কর, জেদিক দিয়ে তোমার আঙ্গুলে ইশারা করতে করতে যাবে সবাই কে ধরে জান্নাতে দিয়ে দিব।

আমরা বলি সুবহানাল্লাহ! এটাই হচ্ছে ঐ মা, যিনি আজ প্রতিটি ঘরে অত্যাচারিত, অবহেলিত।

৩ নাম্বার

ঐ লোক যারা নিজের আত্মীয় স্বজনের সাথে ঝগড়া করে, বোনের সাথে ঝগড়া করে, ভাই এর সাথে ঝগড়া করে, চাচার সাথে ঝগড়া করে, মামার সাথে ঝগড়া অরে, স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে, অর্থাৎ যারা সম্পর্কের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি করে চাই সেই ছেলে হোক আর মেয়ে হোক তাঁরা এই পবত্র শবে কদরে ও মাফ পাবেনা।

তখন আল্লাহ্‌ তালায়া বলবেন, তুমি আমার বান্দাদের মাফ করোনা আর তুমি আমার কাছে ক্ষুমা চাও?

তাই আমাদের মধ্যে যদি এমন কেউ থেকে থাকেন, তবে আওবা করুন মাফ চেয়ে নিন, মাফ করে দিন। মনের ভিতর লাগিয়ে দেন যাতে আমাদের শবে কদর টা কবুল হয়।

দখুন চুরি করলে সবার কাছে দোষী কাউকে কেউ দেখতে পারেন। অথচ যখন কোন মানুষ তার হৃদয়ের ভিতরে নাফ্রাত ঘৃণা রাখে কারো জন্য এর চাইতেও বেশি তিনি আল্লার চোখে ছোট হয়ে জান। কাউকে কষ্ট দেয়া, তিরস্কার করা, লজ্জা দেয়া, এগুলা যারা করে তাঁরা আল্লার চোখে সবচাই তে বেশি গোমরাহ হয়ে যায়।

তাই আল্লার কাছে তাওবা করুন।

৪ যারা অন্যের বিনাস করে মজা পায় তারা

সেই সমস্ত মানুষ গুলো আল্লার কাছে সর্বদা নিকৃষ্ট। এই দুনিয়াই শেষ নয়। অখিরাত এখনো বাকি আছে । ওটাই হচ্ছে আসল জীবন।

আলহামদুলিল্লাহ আমরা সীরাতুন নবী নিয়ে বেশ কতগুলো এপিসোড বের করেছি বর্তমান জুগে কেউ বই পরতে চায়না সবাই ভার্টুয়াল জগৎ নিয়ে ব্যস্ত। তাই পরিবারের সবাই কে নিয়ে আমাদের ভিডীও গুলো দেখুন। ইসলাম কে জানুন আমাদের নবীজির চরিত্র নিয়ে সঠিক জিনিষ গুলো জানুন। ইনশা আল্লাহ্‌ নিজের ভিতর পরিবর্তন আসবেই।

আসুন আমরা আমাদের নাফ্রাত কে শেষ করি, ত্ববা করি আল্লার কাছে।

আমিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here